কলকাতার ফুসফুস গড়ের মাঠ বা ময়দানের দক্ষিণে শ্বেত পাথরের তৈরি দুশো ফুট উঁচু রানী ভিক্টোরিয়ার ১৮৩৭ থেকে ১৯০১ স্মৃতিসৌধ ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল তামাম পর্যটকদের আকর্ষণ করে চলেছে প্রতিনিয়ত। ১৯০৬ সালে পঞ্চম জর্জ্যের হাতে সৌধের ভিত্তি স্থাপন হয়ে 15 বছর পর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন লর্ড কার্জন। তাজমহলের অনুপ্রেরণায় নির্মিত স্থাপত্যে ব্রিটিশ ও মুঘল শিল্পশৈলীর সমন্বয় ঘটেছে। মূল গম্বুজের মাথায় ঘূর্ণায়মান এঞ্জেল অফ ভিক্টরি নামে কৃষ্ণপুরীর মূর্তি বহুদূর থেকে দেখা যায়। সুসজ্জিত বাগানে ঘেরা ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল এর ভিতরে মহারানীর ব্যবহৃত নানান জিনিস প্রদর্শিত। টিকিট কেটে ভিতরে ঢুকলে প্রথমেই রানী কক্ষ। পাথর আর কাঁচের নকশার সু উচ্চ গম্বুজাকৃতি কক্ষ। মাঝে রানীর শেঠ মরমরে মূর্তি। চারিদিকে ঘিরে আছে বিভিন্ন ছবির স্কেচ তরবারি সহ অস্ত্রশস্ত্র বাণিজ্য তরি ইত্যাদি বাঁদিকে গ্যালারিতে সিরাজের সিংহাসন কামান টিপুর তরবারি সহ বিভিন্ন আগ্নেয়স্ত প্রদর্শিত। এই গ্যালারি থেকে তিন দিকে যাওয়া যায় বাম পাশে দরবার হলে ছবির প্রদর্শনশালা টমাস ড্যানিয়েল উইলিয়াম ড্যানিয়েল জোহান জোহানি জেমস ওয়েলস জর্জ কাটার টিলি ক্যাটেল মাদের ব্রাউন দ্বারা অঙ্কিত তৎকালীন কলকাতা ও বিভিন্ন ইংরেজদের কার্যকলাপের দৃশ্য সহ বিভিন্ন ছবি।আছে সৌধের মিনি মডেল এর ঠিক উল্টোদিকে কলকাতার বিথির গ্যালারিতে ফটোচিত্র স্টাম্প জলরঙের ছবি সোনার চাদর মিসেস ওয়ারেন হেস্টিংসকে মুন্নি বেগমের যৌতুক হাতির দাঁতের চেয়ার ও টিপেও দারকনাথ ঠাকুরের আঁতর দান বিদ্যাসাগরের কলমদান প্রভৃতি সহ এক টুকরো পুরনো কলকাতার মডেল। একটি ওপরে জাতীয় নেতা বৃদ্ধি আছে কৃষ্ণ কালিসহ বিভিন্ন দেবদেবী নিসর্গ নারীর ছবি ভিতরে জাতীয় নেতা গ্যালারিতে ভারতের মহান সন্তানদের তৈলচিত্র সম্প্রতি রাজ্যপাল দোতলা একটি আর্ট গ্যালারির উদ্বোধন করেছেন সকাল দশটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সৌধের ভিতর প্রবেশ করা যায়। টিকিট ১০ টাকা বাইরের অঙ্গনে প্রবেশ মূল্য ৪ টাকা। সব রকম অনুসন্ধানের জন্য যোগাযোগ ২২২৩১৮৯০.
কলকাতার ফুসফুস গড়ের মাঠ বা ময়দানের দক্ষিণে শ্বেত পাথরের তৈরি দুশো ফুট উঁচু রানী ভিক্টোরিয়ার ১৮৩৭ থেকে ১৯০১ স্মৃতিসৌধ ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল তামাম পর্যটকদের আকর্ষণ করে চলেছে প্রতিনিয়ত। ১৯০৬ সালে পঞ্চম জর্জ্যের হাতে সৌধের ভিত্তি স্থাপন হয়ে 15 বছর পর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন লর্ড কার্জন। তাজমহলের অনুপ্রেরণায় নির্মিত স্থাপত্যে ব্রিটিশ ও মুঘল শিল্পশৈলীর সমন্বয় ঘটেছে। মূল গম্বুজের মাথায় ঘূর্ণায়মান এঞ্জেল অফ ভিক্টরি নামে কৃষ্ণপুরীর মূর্তি বহুদূর থেকে দেখা যায়। সুসজ্জিত বাগানে ঘেরা ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল এর ভিতরে মহারানীর ব্যবহৃত নানান জিনিস প্রদর্শিত। টিকিট কেটে ভিতরে ঢুকলে প্রথমেই রানী কক্ষ। পাথর আর কাঁচের নকশার সু উচ্চ গম্বুজাকৃতি কক্ষ। মাঝে রানীর শেঠ মরমরে মূর্তি। চারিদিকে ঘিরে আছে বিভিন্ন ছবির স্কেচ তরবারি সহ অস্ত্রশস্ত্র বাণিজ্য তরি ইত্যাদি বাঁদিকে গ্যালারিতে সিরাজের সিংহাসন কামান টিপুর তরবারি সহ বিভিন্ন আগ্নেয়স্ত প্রদর্শিত। এই গ্যালারি থেকে তিন দিকে যাওয়া যায় বাম পাশে দরবার হলে ছবির প্রদর্শনশালা টমাস ড্যানিয়েল উইলিয়াম ড্যানিয়েল জোহান জোহানি জেমস ওয়েলস জর্জ কাটার টিলি ক্যাটেল মাদের ব্রাউন দ্বারা অঙ্কিত তৎকালীন কলকাতা ও বিভিন্ন ইংরেজদের কার্যকলাপের দৃশ্য সহ বিভিন্ন ছবি।আছে সৌধের মিনি মডেল এর ঠিক উল্টোদিকে কলকাতার বিথির গ্যালারিতে ফটোচিত্র স্টাম্প জলরঙের ছবি সোনার চাদর মিসেস ওয়ারেন হেস্টিংসকে মুন্নি বেগমের যৌতুক হাতির দাঁতের চেয়ার ও টিপেও দারকনাথ ঠাকুরের আঁতর দান বিদ্যাসাগরের কলমদান প্রভৃতি সহ এক টুকরো পুরনো কলকাতার মডেল। একটি ওপরে জাতীয় নেতা বৃদ্ধি আছে কৃষ্ণ কালিসহ বিভিন্ন দেবদেবী নিসর্গ নারীর ছবি ভিতরে জাতীয় নেতা গ্যালারিতে ভারতের মহান সন্তানদের তৈলচিত্র সম্প্রতি রাজ্যপাল দোতলা একটি আর্ট গ্যালারির উদ্বোধন করেছেন সকাল দশটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সৌধের ভিতর প্রবেশ করা যায়। টিকিট ১০ টাকা বাইরের অঙ্গনে প্রবেশ মূল্য ৪ টাকা। সব রকম অনুসন্ধানের জন্য যোগাযোগ ২২২৩১৮৯০.
