💚কীভাবে যাবেন?
হাওড়া থেকে ট্রেনে করে পৌঁছে যান বোলপুর স্টেশন। স্টেশনে নেমে টোটো নিয়ে আপনার পছন্দমত হোটেলে গিয়ে চেক ইন। শান্তিনিকেতনে অনেক হোটেল, লজ আছে।
মনে রাখবেন এখানকার maximum hotel এর চেক আউট টাইম 12:00 amএবং চেক ইন 10.00pm। তাই চেষ্টা করবেন ঐ সময়ে যে ট্রেন বোলপুর পৌঁছায়, সেইটা ধরার। তাতে আপনার ঘোরার অনেক সুবিধা হবে।
এছাড়াও সড়ক পথে যেতে পারেন, আমি গিয়েছিলাম By Road এ । আপনাদের সুবিধার জন্য একটা ভিডিও( পথ নির্দেশ)বানিয়েছি লিংক দিলাম, সময় থাকলে একবার দেখতে পারেন।
(টোটো একটু দরদাম করে একেবারে দুদিনের জন্য বুক করে নিন। তাহলে সুবিধা হবে।)
💚কোথায় থাকবেন?
থাকার জন্য শান্তিনিকেতনে প্রচুর হোটেল/রিসোর্ট/লজ/ পাবেন।
1. প্রান্তিক এর আশেপাশে।
2. বিশ্বভারতী ক্যাম্পাসের আশেপাশে/ ভুবনডাঙা রোডে।
3. সোনাঝুরি হাটের কাছে।
4. আমার কুটি আশেপাশে ।
যারা প্রথম যাবেন, তারা অবশ্যই চেষ্টা করবেন বিশ্বভারতী ক্যাম্পাস অথবা ভুবনডাঙা রোডে থাকতে, তাতে ঘোরার অনেক সুবিধা হবে।
শান্তিনিকেতন এ প্রায় 25 টার মতন Spot আছে , খুব ভাল ভাবে ধীরে সুস্থে দেখতে চাইলে 2 রাত 3 দিনের plan করতে পারেন। আমিও এই plan শান্তিনিকেতন ভ্রমণ করেছিলাম।
কী কী দেখবেন?
Day 1-- হোটেলে চেক ইন করে ফ্রেশ হয়ে, একটি টোটো বুক করে নিন। তারপর একে একে দেখে নিন
1.গীতাঞ্জলি মিউজিয়াম
2. বাংলাদেশ ভবন
3. শালবনি , পলাশবনি
4.সোনাঝুরি হাট
5. প্রকৃতি ভবন
6. 34ft বুদ্ধমূর্তি
7. আমার কুটি সোসাইটি
8. আমার কুটি Eco park
এবার Lunch করে নিন ভুবনডাঙা রোডে অবস্থিত আয়োজন হোটেলে অথবা আপনার কোনো পছন্দমত
9. কোপাই নদীর তীরে। এখান থেকে সূর্যাস্ত যেন কোনোভাবেই miss না হয়।
Day2-- সকাল সকাল উঠে স্নান সেরে চলে যান
1. কঙ্কালীতলা মন্দির।
2. সুরুল রাজবাড়ি
3. আদ্যা পীঠ মন্দির
4. সৄজনী শিল্পগ্রাম
5. বল্লভপুর ডিয়ার Park .
6. বিশ্বভারতী ক্যাম্পাসের ভেতরের 23 টা Spot .
7. বিশ্ব বাংলা হাট
8. বিশ্ব বাংলা Park
Day - 3
সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে চলে যেতে পারেন রায়পুর জমিদার বাড়িতে।
তার পর সোজা বোলপুর/প্রান্তিক স্টেশনে গিয়ে বাড়ি ফেরার ট্রেনে করে বাড়ি ফিরে আসুন।