Day : 1
16 November 22 তারিখ অর্থাৎ বুধবার সকাল 6টায় রওনা দিয়ে রাঁচি পৌছালাম সন্ধ্যে 6টা। পথে দেখে নিলাম সূর্য মন্দির ও দশম ফলস।
Day:2
পরের দিন সকাল 7টা নাগাদ স্নান সেরে রওনা দিলাম নেতারহাটের উদ্দেশ্যে। পথেই সেরে নিলাম প্রাতরাশ। নেতারহাট যাওয়ার আগে পত্রাতু ভ্যালির সৌন্দর্য উপভোগ করলাম প্রাণ ভরে। নেতার হাট পৌঁছনোর রাস্তাটি অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর। পাহাড়ের প্রতিটা বাঁক, রোলার কোস্টারের মত উঁচু নীচু রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে আপনি কখন যেন পৌঁছে যাবেন কোয়েলের কাছে। কোয়েল কিন্তু এখানে পাখি নয়, নদী। বিকেল বেলা নাগাদ সূর্যাস্ত দেখলাম ম্যাগনোলিয়া সানসেট পয়েন্টে। তারপর সোজা হোটেল।
Day:3
রাতটা কাটিয়ে পরের দিন রাঁচি ফেরার পালা। পথে দেখে নিলাম নেতারহাট লেক, ন্যাস্পাতি গার্ডেন, পাইন ফরেস্ট, শ্যালেট হাউজ, স্কুল, লোধা ফলস, সুগ্গা বাঁধ, মিরচাইয়া ফলস। রাঁচি পৌঁছাতে ৮ টা বেজে গেছিলো। আসলে প্রকৃতির এত কাছে গিয়ে প্রকৃতির সাথে একটু সময় কাটাব না, সেটা কি হয়।
Day:4
পরদিন সকাল সকাল পৌছালাম রাজরাপ্পা মন্দির। সেখানে মায়ের পায়ে পূজা অর্পণ করে একে একে দেখে নিলাম হুড্রু, গেতালসুদ ড্যাম আর সীতা ও জোনা ফলস।
Day:5
পরদিন মনের ওপর পাথর চাপা দিয়ে বাড়ির পথে রওনা দিলাম। আসার পথে দেওড়ি মন্দিরে পূজা দিয়ে, চান্ডিল ড্যামে কিছুক্ষন কাটিয়ে একরাশ অক্সিজেন ফুসফুসে ভরে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। আস্তে আস্তে সন্ধে হতে লাগলো আর হাইওয়ে ও শেষ হয়ে আমাদের বাড়ির পাশের ভিড় রাস্তাও শুরু হয়ে গেলো।
রাত ৭ টা নাগাদ বাড়ি পৌঁছে গেলাম.